কিউকারবিটস জাতীয় ফসলের পরাগায়ণজনিত সমস্যা রোধে হস্তপরাগায়ন করা প্রয়োজন। সাদা মাছি পোকা, জাবপোকা, ফলের মাছি পোকা, ডগা ও কাণ্ড ছিদ্রকারী পোকা, লিফমাইনর ইত্যাদি ছাদ বাগানে খুব বেশি দেখা যায়। এগুলো দমন করার জন্য সঠিক নিয়মে ফেরোমন ট্রাপ ব্যবহার করতে হবে পাশাপাশি পরিমিত পরিমাণ তামাক পানি অথবা নিমতৈল অথবা সাবান পানি বা অন্যান্য জৈব বালাইনাশক স্প্রে করতে হবে। ছাদ বাগান সম্পার্কিত যে কোন প্রয়োজনে স্থানীয় মেট্রোপলিটন কৃষি অফিসে যোগাযোগ করতে হবে। য়
মঙ্গলবার, ০২ এপ্রিল ২০২৪, ১৯ চৈত্র ১৪৩০ প্রচ্ছদ ই-পেপার জাতীয় রাজনীতি অর্থকড়ি বিশেষ প্রতিবেদন বিশ্বগ্রাম রূপসী বাংলা খেলার ভুবন রঙ কর্মযোগ যুক্তিতর্ক সুবর্ণরেখা নিরাময় লেখাপড়া মুক্তিযুদ্ধ ক্যাম্পাস জ্ঞান-বিজ্ঞান খেত খামার রঙ্গব্যঙ্গ মমতাময়ী আইন-আদালত সম্পাদকীয় শিল্প-সংস্কৃতি এখানে নোঙর করপোরেট কর্নার ইতিহাস-ঐতিহ্য মুখোমুখি দুরন্ত অপরাধ ফ্যাশন প্লাস বিরতি টিনএজ প্লাস পর্যটন বলতে চাই ডাকঘর আজকের প্রযুক্তি ইসলাম রাশিফল প্রাণ-প্রকৃতি অটোমোবাইল মিডিয়াপাড়া পরবাস উদ্যোক্তা বইমেলা
আমের ফুল ও ফল ঝরা রোধের উপায় ও সার ব্যবস্থাপনা →
যন্ত্রপাতি ও প্রযুক্তি কৃষি যন্ত্রপাতি
হাফড্রাম পদ্ধতি : বর্তমানে বেশিরভাগ মানুষই হাফড্রাম পদ্ধতিতে ছাদে ফলের বাগান করে থাকেন। হাফড্রামের তলদেশে ছিদ্র করতে হবে। ছিদ্রগুলোয় ইটের টুকরো বসাতে হবে; তার উপরে ড্রামের তলদেশে প্রথম ১ ইঞ্চি পরিমাণ খোয়া বা সুড়কি দিতে হবে এবং তার উপরে এক ইঞ্চি পরিমাণ জৈব সার বা পচা গোবর দিতে হবে। এর ফলে অতিরিক্ত পানি সহজেই বের হয়ে যেতে পারবে। জৈব সারের পাশাপাশি প্রতিটি ড্রামে ২০০ গ্রাম টিএসপি, ১০০ গ্রাম এমওপি ব্যবহার করা যেতে পারে। আম ও লেবু জাতীয় গাছের জন্য প্রতিটি ড্রামে উপরিউক্ত জৈব ও রাসায়নিক সারের পাশাপাশি ৫০০ গ্রাম হাড়ের গুড়া ব্যবহার করা যেতে পারে। শাক-সবজি, ফুলের জন্য ছোট খাট টব বা পাত্র হলেও চলে। কিন্তু ফলের ক্ষেত্রে পাত্র/ড্রাম যত বড় হয় তত ভালো।
গত রবিবার শাওমির প্রধান নির্বাহী লেই জুন একটি ওয়েইবো পোস্টে বলেছেন, কোম্পানিটি ফাউন্ডারস এডিশনের দ্বিতীয় দফা বিক্রি শুরু করবে।
ফুলের একটি প্রশান্তিদায়ক প্রভাব রয়েছে এবং তাদের রঙ এবং সুবাস দিয়ে আপনার মেজাজ উত্তোলন করে। আপনি হিবিস্কাস, ফ্রাঙ্গিপানি, গাঁদা, পেরিউইঙ্কল, গোলাপ ইত্যাদি জন্মাতে পারেন, যা ছাদের বাগানে রঙ যোগ করবে।
ফল সংগ্রহ ও বিক্রি: get more info কাঁচা ফল যখন হলদে বা লালচে রঙের হতে শুরু করে তখন বুঝা যাবে ফল পাকা শুরু হয়েছে। ফল পুরো পাকলে লাল হয়ে যায়। তবে বিক্রির জন্য ফল পুরো লাল হওয়ার দরকার নেই। সেক্ষেত্রে ফলগুলো শক্ত থাকা অবস’ায় তুলতে হবে। আর ফল তুলতে হবে বোটা সমেত। পরে কাগজের প্যাকেটে করে বাজারজাত করতে হবে। ফল তোলার পর ১০-১২ দিন পর্যন- ভালো থাকে। গড়ে প্রতি গাছে ১৫০-২০০ গ্রাম ফল ধরে। ফলটি এদেশে নতুন তাই ঝুঁকিও বেশি। তবুও মেধা ও বুদ্ধি প্রয়োগ করে স্ট্রবেরি চাষ একদিন লাভজনক ব্যবসায় পরিণত হবে সে কথা বলা যায়।
আপনার ছাদে কেমন জায়গা আছে এবং কতটুকু জায়গা আপনি ব্যবহার করতে পারবেন তা আগেই জানতে হবে! জায়গার উপর নির্ভর করে আপনি গাছ কেমন লাগাবেন সেই ধারনা পাবেন। আপনার ছাদটি কত তলা, আশে পাশে কত তলা বিশিষ্ট বিল্ডিং আছে বা বড় আকারের গাছপালা আছে কিনা?
শাকসবজি জাতীয়ঃ লালশাক, পালংশাক, মুলাশাক, ডাটাশাক, কলমীশাক, পুইঁশাক, লেটুস, বেগুন, টমেটো, ঢেঁড়স, চুকুর, ক্যাপসিকাম, শিম, বরবটি, শসা, করলা, পটোল, লাউ, ধুন্দল, বারোমাসী সজিনা, ব্রোকলি, মুলা ইত্যাদি।
জমিতে রসের অভাব দেখা দিলে প্রয়োজনমতো পানি সেচ দিতে হবে। স্ট্রবেরি জলাবদ্ধতা একদমই সহ্য করতে পারে না। তাই বৃষ্টি বা সেচের অতিরিক্ত পানি দ্রুত বের করে দিতে হবে।
ছাদ বাগান কোনো নতুন ধারণা নয়। অতি প্রাচীন সভ্যতায়ও ছাদ বাগানের ইতিহাস চোখে পড়ে। বিশ্বব্যাপী নগরায়ন বৃদ্ধি পাচ্ছে আর নগরায়নের প্রভাবে নগর কৃষি দিনে দিনে জনপ্রিয়তা লাভ করছে। পারিবারিক পুষ্টি চাহিদা পূরণে পাশাপাশি বাণিজ্যিকভাবে কৃষির এ খাত গুরত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ছাদ বাগান স্থাপনের গুরুত্বপূর্ণ ধাপ রয়েছে। যেমন-ছাদ বাগান পরিকল্পনা; উপকরণ সংগ্রহ; মাটি প্রস্তুতি; টবে মাটি ভরাট; উদ্ভিদ নির্বাচন।
অতিরিক্ত বৃষ্টির হাত থেকে রক্ষার জন্য চারার উপর পলিথিনের ছাউনি দিতে হবে। রানারের মাধ্যমে বংশ বিস্তার করা হলে স্ট্রবেরির ফলন ক্ষমতা ধীরে ধীরে কমতে থাকে। তাই জাতের ফলন ক্ষমতা অক্ষুন্ন রাথার জন্য টিস্যু কালচারের মাধ্যমে উৎপাদিত চারা ব্যবহার করা ভালো।
উপযুক্ত মাটি: বেলে দোঁআশ ও মাটিতে প্রচুর জৈব সার প্রয়োগ করে স্ট্রবেরি ফলানো যায়। যেসব জমিতে পানি জমে সেখানে স্ট্রবেরি ফলানো যাবে না।
Comments on “Little Known Facts About স্ট্রবেরির চারা থেকে চারা করা.”